বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

সীমান্ত হাট চালু ও সুতা আমদানির বাধা কাটানো নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা

রিপোর্টারের নাম :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু, স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা ও স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করা, যৌথ বিনিয়োগ ও দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয় উঠে আসে।.বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আছে। তবে গত দেড় বছরে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যের গতি কিছুটা কমেছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে বাণিজ্য কীভাবে আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে স্থলবন্দরগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালু, বন্ধ সীমান্ত হাট পুনরায় চালু ও স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাবও এসেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।.ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কোনো দেশ বড় বা ছোট নয়, দুই দেশই সমান। এই সমতার ভিত্তিতেই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে।দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর মতে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে।যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্ববাজারে সফল। এই খাতে ভারত জিপার, মেশিনারি, বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা আরও বাড়বে।.বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে তিনি গর্ব অনুভব করেন। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে পারে।বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি ও সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় পক্ষের আশা, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

Source: https://www.prothomalo.com/business/economics/er5964u10k

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর বিস্তারিত....

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (বিকাল ৪:৫২)
  • ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
  • ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)