মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে সুনজর দিন

রিপোর্টারের নাম :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক–সংকটের কারণে সাড়ে সাত বছরের বেশি সময় ধরে চোখের সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ আছে। এটি খুবই দুঃখজনক। ২৫০ শয্যার এই জেলা সদর হাসপাতালে চক্ষু ওয়ার্ড ও অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি) বন্ধ রেখে বছরের পর বছর লাখ লাখ মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা মূল্যের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও আধুনিক যন্ত্রপাতিও মরিচা ধরে পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এটি খুবই হতাশাজনক।

প্রথম আলো র প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০১৮ সাল থেকে এই হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্টের দুটি পদই শূন্য আছে। মাঝে দীর্ঘ পাঁচ বছর চোখের কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই কেবল প্রাথমিক মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে বহির্বিভাগের কাজ চালানো হয়েছে। বর্তমানে মাত্র একজন চিকিৎসক নিয়োজিত থাকলেও নষ্ট যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে অস্ত্রোপচার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ এ হাসপাতালেই আগে প্রতি মাসে ২০০ জনের বেশি রোগীর চোখে সফল অস্ত্রোপচার হতো। ছানি পড়া বা চোখের জটিলতায় ভোগা অসহায় রোগীদের এখন চড়া মূল্যে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক–সংকটের কারণে সাড়ে সাত বছরের বেশি সময় ধরে চোখের সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ আছে। এটি খুবই দুঃখজনক। ২৫০ শয্যার এই জেলা সদর হাসপাতালে চক্ষু ওয়ার্ড ও অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি) বন্ধ রেখে বছরের পর বছর লাখ লাখ মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা মূল্যের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও আধুনিক যন্ত্রপাতিও মরিচা ধরে পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এটি খুবই হতাশাজনক।

প্রথম আলো র প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০১৮ সাল থেকে এই হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্টের দুটি পদই শূন্য আছে। মাঝে দীর্ঘ পাঁচ বছর চোখের কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই কেবল প্রাথমিক মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে বহির্বিভাগের কাজ চালানো হয়েছে। বর্তমানে মাত্র একজন চিকিৎসক নিয়োজিত থাকলেও নষ্ট যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে অস্ত্রোপচার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ এ হাসপাতালেই আগে প্রতি মাসে ২০০ জনের বেশি রোগীর চোখে সফল অস্ত্রোপচার হতো। ছানি পড়া বা চোখের জটিলতায় ভোগা অসহায় রোগীদের এখন চড়া মূল্যে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব।

Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/s9u1uscp7r

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর বিস্তারিত....

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (দুপুর ১:৩৭)
  • ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
  • ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)