মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

জান্নাত পাওয়ার জন্য একটি অমূল্য দোয়া

রিপোর্টারের নাম :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

পৃথিবীর জীবন ক্ষণস্থায়ী ও পরীক্ষাকেন্দ্রের মতো। চূড়ান্ত সাফল্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও চিরসুন্দর জান্নাত লাভ করা। বিশ্বাসীরা প্রতিনিয়ত সৎকাজ করে এবং নানা আমলের মাধ্যমে জান্নাতের পথ খোঁজে। প্রতিটি মুমিনের সুপ্ত স্বপ্ন থাকে জান্নাত।মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে। যার অর্থ ও তাৎপর্য অতি গভীর। এটি মুখে উচ্চারণ করা যেমন সহজ, হৃদয়ে ধারণ করা তেমনি পরম শান্তির।.আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি বলে, “রজীতু বিল্লাহি রব্বান, ওয়া বিল-ইসলামি দীনান, ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রসূলান”—তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত হয়ে যায়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫২৯)দোয়ার অর্থ: আমি সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে আমার প্রতিপালক, ইসলামকে আমার ধর্ম এবং মুহাম্মদকে আমার রাসুল হিসেবে গ্রহণ করেছি।.মৃত ব্যক্তির জন্য কী দোয়া করবেন, কীভাবে করবেন.মাত্র তিনটি ছোট বাক্য। কিন্তু এর পেছনের সুসংবাদটি কত বিশাল। মহানবী (সা.) এই মহামূল্যবান ওয়াদা লাভের জন্য বিপুল ধন-সম্পদ, উচ্চ সামাজিক মর্যাদা কিংবা শারীরিক কঠিন সাধনার কোনো শর্ত রাখেননি। তিনি শর্ত রেখেছেন শুধু অন্তরের একনিষ্ঠতা ও পরম সন্তুষ্টির।.এই ছোট্ট দোয়ার ভেতরে লুকিয়ে রয়েছে ইসলামি জীবনদর্শনের তিনটি মূল স্তম্ভ। সংক্ষেপে এটি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় কেন এই দোয়াটি এত শক্তিশালী:১. আল্লাহকে রব মানা: এর অর্থ হলো—সৃষ্টিকর্তা হিসেবে মহান আল্লাহর সিদ্ধান্ত, ফয়সালা, হেদায়েত এবং আমাদের জীবনের তাকদিরের ওপর সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট থাকা। জীবনে সুখ আসুক বা কঠিন পরীক্ষা আসুক, কোনো অবস্থাতেই স্রষ্টার ওপর অনুযোগ না করে তাঁর করুণার ওপর আস্থা রাখাই হলো আল্লাহকে ‘রব’ হিসেবে মেনে নেওয়ার আসল প্রমাণ।২. ইসলামকে জীবনবিধান গ্রহণ করা: ইসলাম শুধু কতগুলো সামাজিক রীতিনীতি নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনাকে সানন্দে গ্রহণ করা এবং এর বিধান মেনে চলার মধ্যে আত্মিক প্রশান্তি খুঁজে পাওয়াই হলো ‘ইসলামকে ধর্ম হিসেবে পাওয়ার সন্তুষ্টি’।.দোয়া কবুলের বিশেষ ১০ সময়.৩. নবীজিকে রাসুল জানা: নবীজির শেখানো পথই যে জীবন চলার সেরা ও একমাত্র মাধ্যম—তা বিশ্বাস করা। তাঁর সুন্নাহ বা দেখানো আদর্শকে নিজের জীবনে বাস্তবায়িত করে আনন্দ লাভ করা।.এই মূল্যবান দোয়াটি সুনির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে এটি পাঠ করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। যেমন আজান শোনার পর এই বাক্যটি পাঠ করলে গুনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ এসেছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৮৬)এছাড়াও সকাল ও সন্ধ্যার জিকিরের মধ্যেও এটি পাঠ করার মহান ফজিলত রয়েছে। নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার এই কথাটি বলবে, কেয়ামতের দিন তাকে সন্তুষ্ট করা আল্লাহর ওপর দায়িত্ব হয়ে যায়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৭২)এ ছাড়া বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং সন্ধ্যায় কাজ শেষে তিনবার করে এই দোয়া পাঠের অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। শেষ রাতে কিংবা আজান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়ে যখন দোয়া কবুলের সম্ভাবনা বেশি থাকে, তখনো এই পাঠ করা যায়।.দোয়া কি ভাগ্য পরিবর্তন করে

Source: https://www.prothomalo.com/religion/islam/f8amfksnx3

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর বিস্তারিত....

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ৮:০৬)
  • ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
  • ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)