মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

ভেনেজুয়েলায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি ব্যারেল তেলের দখল পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রিপোর্টারের নাম :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি বড় ধরনের তেল চুক্তিতে উপনীত হওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে ভেনেজুয়েলায় প্রমাণিত ৬ হাজার ৫০০ কোটি ব্যারেল তেল মজুতের ওপর সবচেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবে যুক্তরাষ্ট্র।গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প ওই চুক্তির ঘোষণা দেন। চুক্তিটিকে ট্রাম্প ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেলচুক্তি’ বলে অভিহিত করেছেন।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এ চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলায় প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে।.ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে। এ বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির দীর্ঘদিনের শাসক নিকোলা মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। তার পর থেকে ভেনেজুয়েলা সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র চাপ ও কড়া নজরদারির মধ্যে রয়েছে।.ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার কথা কখনোই গোপন করেননি। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চুক্তিটির ঘোষণা দিয়ে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত দ্বিগুণের বেশি হবে।.মাদুরোর তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে শর্ত ছিল, তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার কথা কখনোই গোপন করেননি। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চুক্তিটির ঘোষণা দিয়ে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত দ্বিগুণের বেশি হবে।.ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চুক্তিটির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।ট্রাম্প বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে’ রদ্রিগেজের সঙ্গে এ চুক্তিতে পৌঁছেছেন।.প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাহসী পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সাফল্য বয়ে আনছে, এ চুক্তি তার প্রমাণ। এ নীতি আমাদের গোলার্ধের ভেতরেই স্থিতিশীল তেল মজুত ও কম দামে তেল পাওয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ভেতর গ্যাসের দাম কমিয়ে আনছে।মার্কো রুবিও, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী.ট্রাম্প লেখেন, ‘এ লেনদেন ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এরই মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে!’এদিকে রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাহসী পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে আমেরিকা ফার্স্ট নীতির সাফল্য বয়ে আনছে, এ চুক্তি তার প্রমাণ। এ নীতি আমাদের গোলার্ধের ভেতরেই স্থিতিশীল তেল মজুত ও কম দামে তেল পাওয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ভেতর গ্যাসের দাম কমিয়ে আনছে।’.ভেনেজুয়েলা আসলে কে চালাচ্ছে—ট্রাম্প নাকি দেলসির প্রশাসন.সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের এই শীর্ষ কূটনীতিক আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য এ চুক্তি প্রায় ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে আসবে, উচ্চ বেতনের হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দেশটির অর্থনীতি পুনর্গঠনে গতি আনবে।’.তবে এসব কীভাবে হবে, তা নিয়ে রুবিও বিস্তারিত কিছু জানাননি।মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস গত বৃহস্পতিবার জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা এক ডজন উৎপাদনশীল তেলক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করছিল। এসব তেলক্ষেত্রে ৯ হাজার কোটি ব্যারেল প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে, যা ভেনেজুয়েলার মোট ৩০ হাজার কোটি ব্যারেল প্রমাণিত তেল মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে অ্যাক্সিওস এ তথ্য প্রকাশ করে। অ্যাক্সিওসের খবরে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকা অবস্থায় এ চুক্তির ফলে দেশটির তেল মজুত দ্বিগুণের বেশি হবে।.ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর দুই মাস অবরোধের নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের.ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম কমবে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। কারণ, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, আর এতে দেশে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও কমছে।ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ করতে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করছে। তবে দেশটির বেহাল অবকাঠামো ও অতীতে কারাকাসের সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পদ জব্দ করার কারণে এসব কোম্পানি এখনো বিনিয়োগের ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে।মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার সময় ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া একমাত্র মার্কিন তেল কোম্পানি ছিল শেভরন। গত জুলাইয়ে শেভরন জানিয়েছিল, তারা অপরিশোধিত তেলের দৈনিক উৎপাদন ২ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেলে উন্নীত করেছে। ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ উৎপাদন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।.মাদুরোকে ২১০০ মাইল পাড়ি দিয়ে যেভাবে নেওয়া হলো নিউইয়র্কে

Source: https://www.prothomalo.com/world/usa/tjiwmm74uk

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর বিস্তারিত....

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (দুপুর ২:১৩)
  • ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
  • ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)