বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে চরশাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটগাছতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মোরশেদ আলম।
খবর পেয়ে রাতে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী সদর হাসপাতালে গিয়ে আহতসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাত সাড়ে ৮টায় দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা শহরে মিছিল করেছেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে জামায়াত ও বিএনপি নেতারা একে-অপরকে দোষারোপ করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর আহতরা হলেন- চরশাহী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সহসভাপতি সাকিব হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা এমরান হোসেন এবং শাহাদাত হোসেন খোকন।
বিএনপির আহতরা হলেন- রাসেল ভূঁইয়া, কামাল হোসেন এবং মো. রাসেল। তারা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক বাড়িতে মহিলা জামায়াতের তালিমকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা রাসেল ভূঁইয়া ও জামায়াতের যুব বিভাগের নেতা আব্দুর রহমানের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করে রাসেল। এ ঘটনায় পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মহিলা জামায়াতের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিএনপি নেতা বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে ভোট চাওয়ার জন্য যান। এ সময় তারা সেখানে ভোটার আইডি কার্ড চান। এটি কেন প্রয়োজন, এ নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, হামলার ঘটনা ঘটেনি। শুনেছি ভোটারদের কাছ থেকে ভোটার আইডি চাওয়ায় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারামারি হয়। এতে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক।











